অ্যালোভেরা ত্বকের উপকারিতাঃ
(১) শুষ্ক ত্বকের যতেœর অ্যালোভেরা ত্বককে সজীব করে। অ্যালোভেরারজেল মুখের ত্বকে
লাগালে ত্বক মসৃণ , উজ্জ্বল আর নরম হবে।
(২) বয়স বাড়ার সাথে আমাদের চামড়ায় ভাজ পড়ে অ্যালোভেরা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ এটি ব্যবহারে চামড়ায় ভাজ পড়া কমে যাবে।
(৩) অ্যালোভেরা ত্বকের মৃত কোষ দূর করে। অ্যালোভেরাজেল ত্বকের গভীরে প্রবেশ
করে এবং এর ভিটামিন এ, বি, সি ও এ উপাদান ত্বকের
পুষ্টি যোগায়। রোদে পোড়া দাগ দূর করে ত্বকের আদ্রতা ঠিক রাখে।
(৪) অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান একনে সারাতে আর নুতন
কোষ জন্মাতে কার্যকর।
(৫) ত্বকের পাশাপাশি চুলের জন্য অ্যালোভেরা অনেক দরকারি। অ্যালোভেরার ব্যবহারে
মাথার ত্বকের পি এইচ ঠিক থাকে আর খুশকিও দূর হয়।
(৬) ঠোঁট এর রঙ উজ্জ্বল রাখতে ঠোঁট নরম আর মসৃণ করতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা যায়।
(৭) অ্যালোভেরার অ্যান্টিসেপটিক গুনাগুনও উল্লেখযোগ্য।
আপনার রূপচর্চার অ্যালোভেরাজেল আপনাকে সতেজ, সুন্দর আর উজ্জীবিত রাখবে।
এ্যলোভেরা জেল নিয়ে আসলো নতুন চমক।
ছোটখাটো কাটা-পোড়া, অ্যালার্জি, ত্বকের সমস্যা ইত্যাদি সারাতে অ্যালোভেরা
খুব কার্যকর। অ্যালোভেরা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। আর আর্দ্র ত্বকে যে
বলিরেখা পড়ে না।
অ্যালোভেরা চুলের উপকারিতাঃ

এ্যলোভেরা জেল ব্যবহার করার পর সহজেই চুলে জট পড়বে না,

থাকবে সোজা ও ঘন ঘন চুলের ডগাও ফাটবে না,

চুল পড়ার সমস্যাও একেবারেই কমে যাবে।

এটা চুলকে সিল্কি ,softy, সাইনি করে

Hair fall off করে

চুল nourishing করে।

এর সাথে কোন কন্ডিশনারও ইউজ করা লাগেনা,কোন সাইড ইফেক্ট নেই।

চুল নেচারালি সোজা করে।

মাথা থেকে অতিরিক্ত তৈল দূর করে।

সকল ধরনের ধুলো-বালি এবং ময়লা দূর করে।

মাথার ত্বক পরিস্কার রাখে যার কারনে নতুন করে খুশকী আসতে পারেনা।

চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

চুলের পুষ্টি যোগায় যার কারণে চুলকে লাগে আরো প্রাণবন্ত এবং সজীব।
ব্যবহার বিধিঃ- প্রতিদিন সকাল ও রাতে মাথায়, মুখে ও শরীরে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
শ্যাম্পু করার পর চুল ভাগ ভাগ করে এ্যালোভেরা জেল
টি ব্যবহার করুন।
( ঠান্ডা ও নিরাপদ স্থানে রাখুন সদ্ভাব হলে ফ্রীজে রাখুন।)